মুক্ত বাতাসের খোঁজে, লস্ট মডেস্টি, বুক রিভিউ

 ভয়ানক এক কঠোর কঠিন আসক্তিতে পড়ে গেছি আমরা। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পযন্ত কেউ বাদ নেয় এই আসক্তিতে। খুব সহজে এই আসক্তির উপকরন পাওয়া যায়। বিনামূল্যে এটা পাওয়া যায়। হাত বাড়ালে পাওয়া যায়। এটা একটু একটু করে মানুষের জীবনকে ধ্বংস করে দেয়। মানুষের মনের ভিতর কুৎসিত ও নোংরা করে এটা মানুষকে বাইরে সুন্দর রাখে। এটা মস্তিষ্ককে বিকৃতি করে দেয়। আর এটির নাম হচ্ছে “পর্নোগ্রাফি আসক্তি ”।




এটা একটা অসুখ। সমাজে একটা কিশোর থেকেই শুরু করে একজন বৃদ্ধ লোক এই অসুখের সাথে জড়িত। প্রত্যেকে এক ভয়ংকর অসুখের সাথে দিন পার করছে। এটা যে কোন মানবজাতিকে ধ্বংস করতে যথেষ্ট। এটার কবলে পড়লে মানুষ তিলে তিলে হয়ে উঠে দানব। যেকোন সময় একটা মহামারি হয়ে ছড়িয়ে পড়বে এটা আমাদের মাঝে। 
তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে মানুষের পাপ করা এখন কতই সহজ হয়ে গিয়েছে। আমাদের হাতের মুঠোয় আমাদের ধ্বংসের বোমা। আগ্রামি প্রজন্মের জন্য কী রেখে যাচ্ছেন? এমন ভয়ানক পরিবেশ যেটা তে আক্রান্ত হয়ে তারাও ধ্বংস হবে। আর নয়,  আপনার যেমন শ্বাস নেওয়া দরকার বেচে থাকার জন্য ঠিক তেমনি“ মুক্ত আকাশের খুঁজে ” বইটি পড়া দরকার। খুব জরুরি। 


এখন কার যুগে সন্তান কান্না করবে এই ভয়ে সন্তানের হাতে মাতা অথবা পিতা ফোন তুলে দেন।  একবারও চিন্তা করেন না, সন্তান ফোন নিয়ে কী করবে? ভালো কিছু করছে নাকি খারাপ কিছু তা আর পিতামাতা খবর রাখে না।  ধীরে ধীরে সন্তান খারাপ পথে যায় এবং সেই সাথে ভয়ংকর পর্নোগ্রাফি আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ে। আবার কিছু আছে বন্ধু- বান্ধব এর প্ররোচনায় এমন ভয়াবহ জগৎ এ পা দেয়। 



বয়স্ক ব্যক্তিটিও এই জগৎ এ পা বাড়ায়। কি কঠিন দিন পার করছি আমরা।  আমরা কম বেশি সবাই এটার সাথে এমন ভাবে জড়িয়ে গেছি যা চাইলেও কষ্ট হয়ে যাচ্ছে আমাদের ছাড়াতে। এখান থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে না হলে ধ্বংস নিশ্চিত। 


আপনাকে এর ক্ষতির দিক সম্পর্কে জানতে হবে। যে আসক্ত সে শুধু না বরং তার মাধ্যমে সবার ক্ষতি হবার সম্ভাবনা আছে। আপনি একজন যোদ্ধা সেই হিসেবে আপনাকে ময়দানে নামতে হবে। মনে রাখবেন, আপনাকে যুদ্ধে জিততে হবে। আপনার জিতা/ হারার মাধ্যমে ভূমিকা রাখবে পরবর্তী প্রজন্ম অভিশাপ থেকে বাঁচবে নাকি মরবে। আপনি যুদ্ধ করবেন তাদের জন্য যারা আগ্রামীতে ভূমিকা রাখবে ভালো কিছু করার। তারা প্রান খুলে শাস নিতে পারবে।  কোন বিষাক্ত ছোবল তাদের উপর পড়বে না। তারা যেন তাদের অধিকার পায় তার জন্য আপনাকে লড়াই করে যেতে হবে শেষ পযন্ত। তারা যেন প্রাণ খুলে বাঁচতে পারে এই পৃথিবীর বুকে সেই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। 

jobayer hossen

1 Comments

  1. ধন্যবাদ, সুন্দর এক মন্তব্য প্রধান করার জন্য্য।

    ReplyDelete
Previous Post Next Post