রহস্যে ঘেরা বই পড়তে কেনা ভালোবাসে!ঘুটি কয়েক মানুষ ছাড়া অনেকেই ডিটেকটিভ বই পড়তে ভালোবাসে।
❝শার্লক হোমস ❞ আমার যারা বই পড়ি বা বই সম্বন্ধে ধারণা রাখি তারা এ নামটি শুনে থাকবেন নিশ্চয়ই! যদিও শার্লক হোমস হচ্ছে একটা কাল্পনিক চরিত্র।
সার আর্থার কোনান ডয়েলের সৃষ্টি শার্লক হোমস। তার মাধ্যমেই আমার এমন একটা চরিত্র সম্পর্কে জানতে পারি। সার আর্থার কোনান ডয়েল তার পাঁচটা ইন্দ্রিয় কাজে লাগিয়ে বুদ্ধি দিয়ে, মেধা খাটিয়ে যুক্তি দিয়ে লিখেছেন আর সে আসনের মূলে বসিয়েছেন শার্লক হোমসকে। সার আর্থার কোনান ডয়েলের লেখা শার্লক হোমস প্রথমে ইংল্যান্ডে ব্যাপক সাড়া ফেলে তারপর এটার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পেলে এটা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত হয়।
![]() |
| শার্লক হোমসের স্রষ্টা |
জটিল রহস্য সমাধান ই হলো শার্লক হোমসের প্রধান ও একমাত্র কাজ। ধরুন, একটা অপরাধ হয়েছে কিন্তু অপরাধী কে বা কারা এটা সাধারণ মানুষ বা পুলিশ নিশ্চিত করতে পারছে না। তখনই শার্লক হোমসের ডাক পড়ে। মানুষের ও তার উপর একটা ভরসা থাকে। যেটা সাধারণ বুদ্ধি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না শার্লক হোমস তার অসামান্য বুদ্ধি খাটিয়ে রহস্যের জাল ছিড়ে ফেলে অপরাধী কে তা নিশ্চিত করবে। শুধু যে অপরাধী কে তা নিশ্চিত করে শার্লক হোমস বসে থাকে না সেইসাথে অপরাধীকে ধরবার ব্যবস্থা ও করে দেয়। তার বিচার-বিশ্লেষন আপনাকে অবাক করবে। অবাক করবে তার একের পর এক রহস্য সমাধান করার প্রকিয়া।
শার্লক হোমস ছাড়া বইয়ের আরেকটি বিশেষ চরিত্র হচ্ছে, ওয়াটসন। ওয়াটসন হচ্ছে শার্লক হোমসের প্রিয় ও খুব কাছের বন্ধু এবং সেইসাথে একজন খুব ভালো ডাক্তার। শার্লক হোমস যতগুলো রহস্য সমাধান করেছে বা উপস্থিত ছিলো তার সবগুলোই ওয়াটসন তার ডায়রিতে খুব যত্ন সহকারে লিখে রেখেছে। তাছাড়া শার্লক হোমসের প্রিয় বন্ধু হওয়ার ফলে শার্লক হোমসকে রহস্য সমাধানে বিভিন্ন ভাবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহায্য করেছে। শার্লক হোমস ও ওয়াটসনের সাহায্য নিতে পছন্দ করত।
যেটা সবার কাছে কোন অর্থবহ নয়। শুরুতে যা সবার কাছে কুয়াশার মতো আবছা হয়ে ধরা দিতো- রহস্যময় হয়ে ঘুরপাক খেত পরে সেটা শার্লক হোমস বিচার-বিশ্লেষন করে তুলে ধরলে তা সবার কাছে পানির মতো সহজ হয়ে যেত। শার্লক হোমস যে শুধু তার ৩ পাউন্ডের ব্রেইন খাটিয়ে এসব করত তা নয় তার শারীরিক শক্তিও কোন অংশে কম ছিলো না। ইংল্যান্ডের যত কুখ্যাত অপরাধী ছিলো তারা সবাই শার্লক হোমস থেকে দূরে দূরে থাকার চেষ্টা করত। শার্লক হোমসের ফাঁদে পড়লে আর রক্ষা নেই।
তার গুনের কারনেই লোকজন তার কাছে পরামর্শ নিতে আসত। প্রত্যেকেই তার উপর আস্থা রাখত। শার্লক হোমসের কাছে যাঁরা পরামর্শ নিতে আসত তাদের কথা খুব মনোযোগ সহকারে শুনতো এবং এর একটি কার্যকরী সমাধান দেয়ার চেষ্টা করত। শার্লক হোমস ১০০টির বেশি কেস সমাধান করেছে। এমনকি রানী ভিক্টোরিয়ার সাথেও শার্লক হোমসের একবার দেখা হয়।দ্য ব্রুস-পার্টিংটন প্ল্যান্স’ রহস্য সমাধান করার ফলে রানী তাকে একটি পান্নার টাইপিন উপহার দেন। আর এইসব কারনেই শার্লক হোমস ইংল্যান্ডের মানুষের কাছে ছিল সম্মানিত এবং শ্রদ্ধার পাএ।
( ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করতে ভুলবেন না।কারন আপনার সাড়া আমাকে লিখতে অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ দিবে)
Jobayer hossen

~2.jpg)
Osadaron
ReplyDelete